জলপাই ডালে সুখী ডানা মেলে বসেছিল এক শ্বেত কপোত-
সে কি জানত অদূরে তার সুখ নীড় পানে শ্যেন দৃষ্টিমেলে চেয়ে আছে
হায়েনার দল?
এক খাবলায় যারা বের করে আনবে তার ধ্বক ধ্বক কলিজাটা!
তার উষ্ণ রুধিরে কণ্ঠ ভেজাবে আজন্ম তৃষিত সারমেয় দল।
আর তারপর তার পচাগলা নাড়িভুঁড়ি, রক্তমাখা সাদা পালক কাঁধে
বিক্ষোভ মিছিল বের করবে একদল তুচ্ছ পিপীলিকা!
যে মিছিলে চোখ পেতে থাকবে কোনো ধূর্ত তক্ষক…
ওই ক্ষুধিত হায়েনা, ওই তৃষিত সারমেয়, ওই ধূর্ত তক্ষক-
সব আজ মানুষের বেশে, মানুষেরই মাংস ছিঁড়ে খেতে চায়!
শান্তির শ্বেত কপোতের ডানা ভেদ করে একেকটা মিসাইল
বিদ্ধ হয় মানবতার বুকে।
নিউক্লিয়ার বম্বিংয়ে ছিন্নভিন্ন তার সুকোমল শরীর;
সর্বগ্রাসী আগুনে পুড়ে গেছে তার নিরেট সুন্দর মুখশ্রী।
হে মানবতার ফেরিওয়ালারা!
দেশে দেশে ‘সুক্ষ্ম’ মানবাধিকার লংঘনে তোমরা উদ্বিগ্ন হও-
কই, যুদ্ধে রক্তাক্ত শিশুদের দেখে তো তোমাদের বিকার হয় না!
নিরপরাধ সিভিলিয়ানদের কান্না তো বিগলিত করে না তোমাদের হৃদয়!
তোমাদের চোখে কি ছানি পড়েছে?
নাকি ছিড়ে গেছে কানের পর্দা?
গত দুই বিশ্বযুদ্ধ কি তোমাদের শেখায় নি,
রক্তপাত কারো জন্য শুভ পরিণাম বয়ে আনে না?
ইতিহাস বাঁক বদলায়, ঘুরে যায় তিনশ ষাট ডিগ্রি কোণে।
ফিরে আসে হিরোশিমা-নাগাসাকি, বার বার!
একইভাবে দলভারি হয় লাশের মিছিলে,
আর তারপর একইভাবে গণকবর ফুঁড়ে বেরোয় নানাবিধ শান্তিচুক্তি
বিবিধ ‘রোমান্টিক’ ধারা-উপধারা নিয়ে!
তারও পর সেই চুক্তিপত্র পরিত্যক্ত মুড়ির ঠোঙা হয়ে
স্থান নেয় ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে
শান্তির শ্বেত পতাকার কাফনে ঠেলাঠেলি করে স্থান নেয়
ছেঁড়াখোঁড়া লাশ।
১৯১৪, ১৯৩৯ কিংবা … সবই আসলে ইতিহাসের ফিরে আসা বাঁক!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Piupa Santra
বেশ ভালো লাগলো। মুগ্ধতা রেখে গেলাম ????????
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
কেন ৩য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলো? তারই কিছু কারণ কাটাছেড়া করা হয়েছে এই কবিতায়।
৩০ সেপ্টেম্বর - ২০২৩
গল্প/কবিতা:
৫৭ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।